অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Aug 8, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬: বৈচিত্র্যের সম্মান ও সমঅধিকারের বাংলাদেশ চাই

- নিকোলাস বিশ্বাস

আদিবাসী জনগণের অধিকার সংরক্ষণ এবং তাদের বহুমুখী চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়। দিবসটি শুধু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি সামনে আনে না; একই সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্যগত জ্ঞান, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের টেকসই ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিও দেয়।

২০২৬ সালের জাতিসংঘের প্রতিপাদ্য—“জীবন রক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আদিবাসী ধাত্রীদের অনন্য অবদানকে সম্মান জানানো”—আদিবাসী সমাজে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কল্যাণ এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা ঐতিহ্যগত জ্ঞানের গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

বাংলাদেশে আদিবাসী জনগণের বর্তমান পরিস্থিতি

বাংলাদেশ তার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি এ দেশে রয়েছে বৈচিত্র্যময় জাতিগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের বহু জনগোষ্ঠী। ৫৪টিরও বেশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষ এখানে বসবাস করেন এবং তারা অন্তত ৩৫টি ভিন্ন ভাষায় কথা বলেন।

২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, দেশে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ ৫০ হাজার, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ। তবে আদিবাসী সংগঠনগুলোর দাবি, প্রকৃত সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখের কাছাকাছি। দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, সাঁওতাল, ওরাঁও, গারো, মাহাতো, পাংখোয়া, রাখাইন, মুন্ডা, মণিপুরীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের স্বতন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ করে বসবাস করে আসছে।

সংবিধান ও সমঅধিকারের অঙ্গীকার

বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকের সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে। সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং আইনের সমান সুরক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ, জাত, লিঙ্গ কিংবা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং জনজীবনের সর্বক্ষেত্রে নারীর সমঅধিকার স্বীকৃত হয়েছে।

তবে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর সুরক্ষার জন্য সংবিধানে ‘জাতিসত্তা (Ethnicity)’ অথবা ‘আদিবাসী (Indigenous Peoples)’ শব্দের অন্তর্ভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন নং ১০৭ অনুসমর্থন করলেও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ২০১১ সালের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের জাতিগত বৈচিত্র্য স্বীকৃতি পেলেও আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আদিবাসী জনগণ (Indigenous Peoples)’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

কিছু সাংস্কৃতিক অধিকার স্বীকৃত হলেও ভূমির মালিকানা, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক অধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা, বিশেষ করে আইএলও-এর Committee of Experts on the Application of Conventions and Recommendations (CEACR), বারবার এমন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে, যেখানে আদিবাসী জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার পূর্ণাঙ্গভাবে ভোগ করতে পারেন।

আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা

বাংলাদেশে আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা এখনো একটি গুরুতর মানবাধিকার সংকট হিসেবে বিবেচিত। Kapaeeng Foundation-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৩২ জন আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুকে কেন্দ্র করে মোট ২৯টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা, হত্যা, নির্যাতন ও যৌন হয়রানির মতো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত এসব ঘটনা আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে। তবে প্রকৃত ঘটনার সংখ্যা নথিভুক্ত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

প্রতিশোধের আশঙ্কা, সামাজিক কলঙ্ক, ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা, আইনি সহায়তা ও সহায়ক সেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থার সংকটের কারণে বহু ঘটনা নথিভুক্ত হয় না।

এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি সহিংসতা, প্রান্তিকীকরণ ও বৈষম্যের ধারাবাহিকতাকেও দীর্ঘায়িত করে। তাই শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত, কার্যকর বিচারিক প্রক্রিয়া, ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার নিশ্চিত করা জরুরি।

বিচার বিলম্বিত মানেই বিচার থেকে বঞ্চিত

“বিচার বিলম্বিত মানেই বিচার থেকে বঞ্চিত”—বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই বহুল প্রচলিত কথাটি অনেক ক্ষেত্রেই নির্মম সত্য হয়ে দাঁড়ায়। সহিংসতার শিকার বহু মানুষের জন্য বিচার শুধু ধীরগতির নয়, অনেক সময় তা হয়ে ওঠে অধরাই।

তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা, বিচারিক প্রক্রিয়ার বিলম্ব, যথাযথ প্রমাণ সংগ্রহে ব্যর্থতা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীদের জবাবদিহিতার বাইরে থেকে যাওয়া বিচারপ্রাপ্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এর ফলে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমে এবং ভুক্তভোগীরা অভিযোগ জানাতে নিরুৎসাহিত হন। একই সঙ্গে দায়মুক্তির সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি: ২৯ বছরের অপূর্ণ বাস্তবায়ন

১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় তিন দশক পেরিয়ে গেলেও এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

চুক্তিটির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল অধিকতর স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধের কার্যকর সমাধান এবং পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

পরবর্তী বিভিন্ন সরকার চুক্তির বিভিন্ন ধারা বাস্তবায়নে অগ্রগতির কথা তুলে ধরলেও আদিবাসী প্রতিনিধিদের মতে, অর্থবহ বিকেন্দ্রীকরণ, কার্যকর ভূমি কমিশন এবং দীর্ঘদিনের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিসহ বেশ কিছু মৌলিক প্রতিশ্রুতি এখনো অপূর্ণ রয়েছে।

এই বাস্তবায়ন ঘাটতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাসকে আরও গভীর করেছে। ফলে শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দাবি হিসেবে রয়ে গেছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের নতুন সুযোগ

সম্প্রতি সমতলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৯-এর সংসদ সদস্য আন্না মিনজের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি এ সাক্ষাতে অংশ নেয়।

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রতিনিধিরা তাদের ন্যায্য দাবিগুলো তুলে ধরেন এবং একটি সুপারিশপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

আদিবাসী নেতৃবৃন্দের এই উদ্যোগ দেশের জাতীয় আলোচনায় নতুন করে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও দাবির বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে। এই সংলাপ যদি ধারাবাহিক ও অর্থবহ হয়, তাহলে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি প্রণয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ নির্মাণ

সংলাপ, সহনশীলতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ অতীতেও নানা জাতীয় সংকট মোকাবিলা করেছে। একই ধরনের অঙ্গীকার এখন প্রয়োজন, যাতে আদিবাসী জনগোষ্ঠী সংবিধানের পূর্ণ সুরক্ষা এবং অন্যান্য নাগরিকের মতো সমান সুযোগ ও অধিকার ভোগ করতে পারে।

তাদের কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে কয়েকটি বিষয় দ্রুত বিবেচনা করা জরুরি—

ভূমি বিরোধের সমাধান: আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি।

ন্যায়বিচারকে শক্তিশালী করা: আদিবাসী নারী ও কন্যাশিশুর ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত আইনি সহায়তা, নিরাপত্তা, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর বিচারিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি: জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থায় আদিবাসী ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের টেকসই সংরক্ষণ এবং বিকাশের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে।

প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, যাতে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়মিত ও স্বাধীনভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন: শান্তিচুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে নতুন করে গঠনমূলক ও অর্থবহ সংলাপ শুরু করা অপরিহার্য।

বৈচিত্র্যের মধ্যেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ

বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠী এ দেশের বাইরের কেউ নয়; তারা এই রাষ্ট্রেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম অংশীদার। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধেও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বহু সদস্য বাঙালি সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

দেশের প্রতি তাদের অবদান শুধু আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অধিকার, মর্যাদা ও সমান নাগরিকত্ব নিশ্চিতকারী নীতি ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত।

বাংলাদেশের শক্তি কখনো সাংস্কৃতিক একরূপতার ওপর নির্ভর করেনি। বরং এ দেশের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে বৈচিত্র্যের সমৃদ্ধি এবং ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ নির্মাণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষায়।

তাই আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও পূর্বপুরুষের ভূমি রক্ষা করা কোনো সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি দয়া নয়। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং একটি টেকসই ভবিষ্যতের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে তাই আমাদের প্রত্যাশা হোক—বৈচিত্র্যকে সম্মান করে, বৈষম্য দূর করে এবং সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে উঠুক, যেখানে পরিচয় নয়, নাগরিকত্বই হবে অধিকার ও মর্যাদার প্রধান ভিত্তি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সংস্কার কমিশনে ২২ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিলো মুক্ত গণমাধ্য

1

বুড়াবুড়ি আদর্শ কিন্ডারগার্টেনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

2

ফুলবাড়ীতে বর্ণাঢ্য উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

3

নিখোঁজ ৪ ছাত্রী সিলেটে উদ্ধার, পাচারচেষ্টার প্রাথমিক সন্দেহ

4

গণভোটের দাবিতে অনড় শফিকুর, আপসের সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

5

বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল

6

সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা কেন রিডিংয়ে পিছিয়ে?

7

নারী এমপিদের প্রত্যাশা: দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে নতুন রাষ্ট্রপতি

8

শুধু দুজন রাজি হলেই কি Mutual Divorce হয়ে যায়? জানুন ৭টি গুর

9

ফুলবাড়ী পৌরসভার ৬২ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

10

প্রাক্তনকে ভুলতে কেন এত সময় লাগে?

11

বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন

12

ফুলবাড়ীতে সার ব্যবসায়ীর ১ মাসের কারাদণ্ড

13

‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে গণতন্ত্রের কোনো মিল নেই’ — মির্জা ফখরুল

14

ফুলবাড়ীতে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

15

বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচার

16

ফুলবাড়ীতে বিএনপির র‌্যালিতে হামলার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন

17

ভারত-ইন্দোনেশিয়ার নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি

18

হামাস জিম্মিদের তালিকা না দেওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হ

19

দেশে সারের সংকট নেই, মজুদ ১৩ লাখ টন: কৃষিমন্ত্রী

20