অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 12, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা, রুপা ১ হাজার ৮৮ ভরি

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেছে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা। সোমবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে দানবাক্সে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ চলমান রয়েছে।


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা পড়া দানসামগ্রী গণনা ও পরিমাপ করে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা এবং ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা পাওয়া গেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। তবে বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ তখনো শেষ হয়নি।

রূপালী ব্যাংকের এজিএম মোহাম্মদ হারেসী জানিয়েছেন, বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ শেষ হতে রাত ৮টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

এর আগে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, ট্রেজারিতে সংরক্ষিত নয়টি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের কনটেইনার ও ছয়টি সিলগালা করা খাম খুলে দানসামগ্রী গণনা ও পরিমাপ করা হচ্ছে। প্রাপ্ত সোনা ও রুপার ওজন এবং ক্যারেট যাচাই শেষে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে গঠিত নয় সদস্যের উপকমিটির তত্ত্বাবধানে পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি পুলিশ, আনসার, ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্বর্ণকারেরা সহযোগিতা করছেন।

সোমবার সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে দানসামগ্রী গণনা ও পরিমাপের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন সদস্য সোনা ও রুপার ওজন নির্ধারণ এবং পরিমাপের কাজে অংশ নেন।

এর আগে ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া ৪১৫ ভরি ১ আনা সোনা ও ১৬৪ ভরি রুপা নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। এসব মূল্যবান ধাতু বিক্রি করে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১০০ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে আয় হয়েছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।

সর্বশেষ চলতি বছরের ২৭ জুন পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। বর্তমানে মসজিদের তহবিলে মোট ১৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা জমা রয়েছে। পাশাপাশি মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালুর পর থেকে অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ১০৬ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বেনজীরকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

1

বর্ষসেরা কোচের তালিকায় স্কালোনি নেই, কোপায় ইয়ামাল-কুবার্সি

2

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী আইন কি বিরোধী দমনের হাতিয়ার?

3

শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ প্

4

বিজয় রাকিন সিটিতে ফ্ল্যাট দখল ও হামলার অভিযোগ, প্রশাসকের অপস

5

প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নতুন করে ভাবার আহ্বা

6

৯ বছর অপেক্ষার পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি, নিয়মিত খে

7

কাজ শেষে ১২.৫৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত, প্রশংসায় ইউএনও

8

জামায়াতের লংমার্চে সাধারণ মানুষের সাড়া নেই: রাশেদ খাঁন

9

থাইল্যান্ডে শিশুর চালানো পিকআপে ৮ বৌদ্ধ ভিক্ষুর মৃত্যু

10

সরকারের ব্যর্থতায় দেশ আতঙ্কের জনপদ: সিপিবি সভাপতি

11

২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়ার সঙ্গে এফটিএ চায় বাংলা

12

সাজেকে দ্বিতীয় দফায় সড়ক অবরোধ, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

13

সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ: রাষ্ট্রপত

14

গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে:

15

রোববার জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

16

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ইজারার সরকারি দরকে বৃদ্ধাঙ্গুলি চেয়ারম্য

17

জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক র

18

আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

19

পীরগঞ্জে ঢাকাগামী বাসে ফেনসিডিল উদ্ধার, আটক ১

20